
আলোর যুগ প্রতিনিধিঃ এ সপ্তাহেই আরও কিছু বড় মামলার তদন্ত রিপোর্ট ও ফরমাল চার্জ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করবে প্রসিকিউশন। সেই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দেশে আনার ব্যাপারে সরকার যথেষ্ট তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
রবিবার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন শেষে তিনি এ কথা বলেন। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে সো-কলড বা তথাকথিত বলে ধৃষ্টতা দেখানো আদালত অবমাননার শামিল বলেও এ সময় মন্তব্য করেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে যেসব আইনসম্মত সংজ্ঞা বা উপায় আছে, সেসব অবশ্যই করা যাবে। কিন্তু কোনো বিচার প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা তথা আজকের রাষ্ট্রটা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, সেটি জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত আরেকটি বাংলাদেশ। সেই মহান অর্জনের পেছনে ১৪০০ মানুষের রক্তদান, ২৫ হাজারের মতো মানুষের অঙ্গহানি ও অজস্র মানুষের চোখের পানি ঝরেছে। সেই মহান অভ্যুত্থান বা বিপ্লবকে সো-কলড বলা ধৃষ্টতা। এটা আদালত অবমাননা। এটা রাষ্ট্রদ্রোহিতা। এ ধরনের কথা আদালতে বলার অধিকার কোনো আসামিরই নেই।
