চেয়ার ও ফ্যান চুরির মামলায় ডা. জাফরুল্লাহকে অব্যাহতি

0
4


আলোর যুগ রিপোর্ট :-
সাভারের আশুলিয়ায় কানাডিয়ান কলেজে ভাংচুর এবং চেয়ার, ফ্যান ও কম্পিউটার চুরির অভিযোগে করা মামলায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ দু’জনকে অব্যাহতি চেয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক সাইফুল ইসলাম শিশিরসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ। চার্জশিট দাখিলের পরই বাদী আদালতে নারাজি দিতে সময়ের আবেদন করেন। আগামী ২৬ জানুয়ারি নারাজি আবেদন ও চার্জশিট গ্রহণের ওপর শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত।
তদন্তে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তার অব্যাহতি চাওয়া হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হারুন অর রশিদ চার্জশিটে উল্লেখ করেন, উল্লেখিত আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হলো। তবে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আরেক আসামি লেহাজের সঠিক নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি। এজন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও লেহাজকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

সাভারের আশুলিয়ায় কানাডিয়ান কলেজে ভাংচুর ও মালামাল চুরির অভিযোগে মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তি ২০১৯ সালের ১২ জুলাই ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ১৬ জনের নামে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা বাদীর কলেজের অফিসকক্ষে থাকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করেন। অফিসে থাকা তিনটি কম্পিউটার, ৮২টি চেয়ার, ২৮টি সিলিংফ্যান, তিনটি ফায়ার এপিট ডিভাইস চুরি করে ট্রাকযোগে নিয়ে যান। যার মূল্য তিন লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় কলেজের আলমারি ভেঙে শিক্ষার্থীদের মূল সনদপত্রসহ অন্যান্য মূল্যবান কাগজপত্র লুট করে নিয়ে যান।