
জাভেদ মোস্তফা 🇧🇩
সাভারে হকারের উৎপাত ও সড়ক ব্যাবস্থাপনায় ত্রুটি থাকায় তীব্র যানজটে জনদুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী। হকারদের আড়ালে ছিনতাই চাঁদাবাজিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া যানজট এখন সাভার বাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোজার মাসে এর তীব্রতা আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগ কয়েকগুন বেড়েছে। ইতি মধেই ছিনতাই চাঁদাবাজির কারনে সেনা অভিযানে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
সাভারে ফুটপাত পথচারীদের জন্য নির্ধারিত হলেও তা এখন অবৈধভাবে দখল হয়ে থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে সড়কে হাঁটছেন, ফলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে অফিস সময় ও ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থেকে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগী পরিবহনকারী যানবাহন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এতে মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং সামগ্রিক জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, ফুটপাত দখলকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র সক্রিয় রয়েছে। হকারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে এবং চাঁদার অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনাও ঘটছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত দখল করে হকারদের দোকান বসানোর কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। অর্ধেকের বেশী রাস্তা এখন হকারদের দখলে।
এ কারনে সাভার উপজেলা ও পৌর৷ কর্তৃপক্ষেয় সমন্বয়য় কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে ফুটপাত দখল মুক্ত অতিরক্ত হকার ও উল্টা যানবাহন নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়ার উদ্যাগ নেয়া হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, সড়কে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে উপর্যুপরি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তবে ম্যান পাওয়ারের অভাবে স্বল্প ট্রেনিং এর মাধ্যমে কিছু কমিউনিটি পুলিশকে রেডি করা হচ্ছে। আগামী ঈদে যেন এই সমস্যার সমাধান হয় সে বিষয়ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যৌথ ভাবে কাজ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিকল্পিত বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে ফুটপাত ও সড়ক জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।

