
বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত একটি সংবাদে আমাকে হ্যায় করে একতরফা ও ভুয়া সংবাদ আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। যা আমাকে সামাজিক ও আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারী ও পরবর্তীতে এই ধরনের শিরোনামে “হিসাবরক্ষকের অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জন:বিএলআরআইতে তোলপাড়, দুদকের তদন্ত দাবি ” সংবাদটির আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
সংবাদের আমার বিরুদ্ধে উল্লেখিত কোন ধরনের তথ্য সঠিক নয় এবং এ ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য ও দেওয়া হয় নি। যা সংবাদ প্রকাশে নুন্যতম শিষ্টাচার বহির্ভূত।
প্রকৃত পক্ষে সাভারে অবস্থিত আমি আমার প্রতিষ্ঠানে সুনামের সাথে হিসাবরক্ষকের দায়ীত্ব পালন করছি। আমার কোন দূর্নীতি বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোন অভিযোগ আমার চাকুরি জীবনে হয় নি। আমার কোন অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নেই। সঠিক হিসাব উপস্থাপন করতে না পারা এবং বিভিন্ন অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার যেই অভিযোগটিতে যা বলা হচ্ছে তার ও কোন ভিত্তি নেই। সাময়িক বরখাস্ত বা অফিসিয়াল যে কোন তথ্যের জন্য অনুরোধ আমার ও অফিসের অভ্যন্তরীন বিষয়।
প্রকাশিত সংবাদে একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দাবি ভিত্তিহীন ও হাস্যকর। এ ধরনের কারো নাম সংবাদে উল্লেখ নেই। এটা ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। আমি আমার কর্মজীবন সামর্থ্য অনুযায়ী বাড়ীগাড়ি করার অধিকার রাখি, যদি এখানে অবৈধ সম্পদ বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ থেকে থাকে তার জন্য দেশের প্রচলিত আইন আছে। তারা তদন্ত করতে পারে। তবে এ ধরনের কোন অভিযোগ আমার কর্মজীবনে কখনও হয় নি।
প্রতিষ্ঠান সূত্র জানায় বলে যা উল্লেখ করা হয়েছে এমন কোন কিছুই হয় নি। প্রতিষ্ঠানের কোন সুত্র বা পত্র আমি পাই নি এবং প্রতিষ্ঠান এর আর্থিক অসংগতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগের কোন ধরনের সত্যতা পাওয়া যায় নি।
প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালকের বক্তব্য ছাড়া এ ধরনের সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। এই প্রতিবাদটি আপনার পত্রিকায় প্রকাশ কররার জন্য অনুরোধ রইলো। সংশ্লিষ্ট পত্রিকার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।
প্রতিবাদ প্রেরক
এনামুল হক খন্দকারের
