
আলোর যুগ প্রতিনিধিঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) চালু হতে যাওয়া ডিজিটাল ও পেপারলেস ব্যবস্থা চিকিৎসা সেবা গ্রহণকে সহজ, সময়সাশ্রয়ী ও তুলনামূলক কম খরচের করবে। এতে রোগীদের ভোগান্তি কমবে এবং সেবার গতি বাড়বে। বুধবার রাজধানীর শহীদ ডা. মিল্টন হলে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ও সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়েজ আহমেদ বলেন, বিএমইউ ও এটুআইয়ের এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পেপারলেস কার্যক্রম বাস্তবায়নের একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু হলো। এর ফলে রোগীরা কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে বা হাতে হাতে বিল পরিশোধের ঝামেলা ছাড়াই ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন ধরনের ফি ও বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ- দুটোই কমবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল সিস্টেম চালু হলে ভবিষ্যতে রোগীদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণায় এই তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ এবং ডেন্টাল অনুষদের ডীন ডা. সাখাওয়াত হোসেনসহ বিএমইউ ও এটুআই প্রোগ্রামের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিএমইউর চিকিৎসা সেবা, শিক্ষাদান ও গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের ফি ও আনুষঙ্গিক বিল আদায়ে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হবে। এ জন্য বিএমইউর ওয়েব পোর্টাল ও সেবাসংশ্লিষ্ট সিস্টেমগুলোকে এটুআই প্রোগ্রামের সমন্বিত পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘একপে’-এর সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এর ফলে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ডিজিটাল ওয়ালেট, অনলাইন ব্যাংকিং, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, এজেন্ট ব্যাংকিং বা শাখা ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যে কোনো সময়, যে কোনো স্থান থেকে ফি ও বিল পরিশোধ করা যাবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে ক্যাশলেস ব্যবস্থার বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।
