রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
More
    HomeUncategorizedঢাকা ওয়াসার পাম্পে পানি উত্তোলন করায় ভাকুর্তার ২৫ টি গ্রামের ভূগর্ভস্থ পানির...

    ঢাকা ওয়াসার পাম্পে পানি উত্তোলন করায় ভাকুর্তার ২৫ টি গ্রামের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে চরম পানি সংকট।

    অালো রিপোর্টঃ-

    সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের প্রায় ২৫টি গ্রামে তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে ওই সব এলাকার মানুষরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ঢাকা ওয়াসার পাম্প স্থাপন করে পানি উত্তোলন শুরু করায় ভাকুর্তার ২৫ টি গ্রাম এবং কেরানীগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। ফলে ওই সব এলাকার গভীর নলকুপে পানি উঠছে না। এমন অবস্থায় ওইসব এলাকায় তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। পানি সংকটের কারনে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা অন্য স্থানে চলে যাচ্ছে। এছাড়া পানির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।

    এলাকাবাসী জানায় দিনে ১৫ কোটি লিটার পানি উত্তোলনের টার্গেট নিয়ে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর, এবং ভাকুর্তা ইউনিয়নের সোলাই মার্কেট, ভাকুর্তা, ঈদগাহ মাঠ, রাজা মার্কেট, হিন্দু ভাকুর্তা, বটতলা এবং কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের বেউতা, বটতলী, বাহেরচর, বড়িকান্দি এলাকায় ৪৬টি পাম্প স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েটি পাম্প সচল করে দিনে ৫ কোটি লিটার পানি উত্তোলনের পরই এসব এলাকার গভীর-অগভীর নলকুপগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। পাম্প বসানোর আগে ১৭০ থেকে ২০০ ফুট গভীর নলকূপেই যেখানে ভরপুর পানি উঠত, সেখানে এখন ৩০০ ফুট গভীর নলকূপেও পানি মিলছে না। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এর ফলে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর,ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা,ভাকুর্তা,খাগুরিয়া,চাইরা,মুশরিখোলাসহ প্রায় ২৫ টি  গ্রামের প্রায় ১৬ লাখ লোকজন পানি সংকটে ভুগছেন। চরম বিপাকে পড়েছেন স্কুল কলেজ শিক্ষার্থী ও গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এছাড়া পানির জন্য শিক্ষার্থীরা সময়মত স্কুল কলেজেও যেতে পারছেনা ও গৃহিনীরা রান্নাও করতে পারছে না এমন অবস্থায় ভুক্তভোগীরা পানি কিনে পান করছেন। সাভার ও কেরানীগঞ্জের লোকজন জানান ,নলকূপের পানি ব্যবহার করে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ চালানোর পাশাপাশি গরু পালন, শাকসবজি ফলানো এবং কৃষিকাজ চালানো হচ্ছিল। ঢাকা ওয়াসার এ প্রকল্পের পানি উত্তোলন শুরুর পর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। পানি সংকটের কারনে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল পালন করেছেন। সরকারের কাছে তারা অবিলম্বে পানি সংকটের সমাধান চেয়েছেন।
    পানির খনি পাওয়ায় ঢাকা ওয়াসা ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সাভারের ভাকুর্তা ও কেরানীগঞ্জে ৪৬টি পাম্প স্থাপন করে। এসব পাম্পের পানি শোধনে দুটি আয়রন অপসারণ প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া একটি ভূ-উপরিস্থ জলাধার, একটি অফিস ভবন এবং ৪২ কিলোমিটার পানি সরবরাহ লাইন স্থাপন করা হয়েছে।
    এবিষয়ে ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান ২৫ টি গ্রামে পানি সংকট থানায় চরম বিপাকে পড়েছেন মানুষজন তিনি অবিলম্বে এলাকায় পানি সংকট সমাধানের জন্য সরকার ও ওয়াসার কতৃপক্ষের কাছে আহবান জানান।
    বৃহত্তর মিরপুরে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের পানি সংকট সমাধানে ২০১২ সালের জুনে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ও ভাকুর্তায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন প্রকল্প হাতে নেয় ঢাকা ওয়াসা। মিরপুর এলাকায় পানির স্তর ৩ মিটার নিচে নেমে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে ওই এলাকায় তীব্র পানি সংকট দেখা দিচ্ছিল।
    পানি রিসার্চ এর মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার ও ওয়াসার প্রতি আহবান জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ও পানি বিশেষজ্ঞ ড.খবির উদ্দিন।
    এদিকে এবিষয়ে,ঢাকা ওয়াসার তেঁতুলঝোড়া-ভাকুর্তা ওয়েল ফিল্ড প্লান্ট ও ওয়াসার কর্মকর্তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি।
    সরকার ও ওয়াসা কতৃপক্ষ অবিলম্বে পানি সংকট সমাধান করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ওই সব এলাকার মানুষরা।এ নিয়ে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ ও করেছেন।
    উল্লেখ্য ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধানে ২০০৯ সালে ইন্সটিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) সাভারের তেঁতুলঝোড়া ও ভাকুর্তা এলাকায় বিপুল পানির খনির সন্ধান পায়।
    সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের প্রায় ২৫টি গ্রামে তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে ওই সব এলাকার মানুষরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ঢাকা ওয়াসার পাম্প স্থাপন করে পানি উত্তোলন শুরু করায় ভাকুর্তার ২৫ টি গ্রাম এবং কেরানীগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। ফলে ওই সব এলাকার গভীর নলকুপে পানি উঠছে না। এমন অবস্থায় ওইসব এলাকায় তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। পানি সংকটের কারনে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা অন্য স্থানে চলে যাচ্ছে। এছাড়া পানির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
    এলাকাবাসী জানায় দিনে ১৫ কোটি লিটার পানি উত্তোলনের টার্গেট নিয়ে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর, এবং ভাকুর্তা ইউনিয়নের সোলাই মার্কেট, ভাকুর্তা, ঈদগাহ মাঠ, রাজা মার্কেট, হিন্দু ভাকুর্তা, বটতলা এবং কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের বেউতা, বটতলী, বাহেরচর, বড়িকান্দি এলাকায় ৪৬টি পাম্প স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েটি পাম্প সচল করে দিনে ৫ কোটি লিটার পানি উত্তোলনের পরই এসব এলাকার গভীর-অগভীর নলকুপগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। পাম্প বসানোর আগে ১৭০ থেকে ২০০ ফুট গভীর নলকূপেই যেখানে ভরপুর পানি উঠত, সেখানে এখন ৩০০ ফুট গভীর নলকূপেও পানি মিলছে না। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এর ফলে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর,ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা,ভাকুর্তা,খাগুরিয়া,চাইরা,মুশরিখোলাসহ প্রায় ২৫ টি  গ্রামের প্রায় ১৬ লাখ লোকজন পানি সংকটে ভুগছেন। চরম বিপাকে পড়েছেন স্কুল কলেজ শিক্ষার্থী ও গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এছাড়া পানির জন্য শিক্ষার্থীরা সময়মত স্কুল কলেজেও যেতে পারছেনা ও গৃহিনীরা রান্নাও করতে পারছে না এমন অবস্থায় ভুক্তভোগীরা পানি কিনে পান করছেন। সাভার ও কেরানীগঞ্জের লোকজন জানান ,নলকূপের পানি ব্যবহার করে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ চালানোর পাশাপাশি গরু পালন, শাকসবজি ফলানো এবং কৃষিকাজ চালানো হচ্ছিল। ঢাকা ওয়াসার এ প্রকল্পের পানি উত্তোলন শুরুর পর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। পানি সংকটের কারনে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল পালন করেছেন। সরকারের কাছে তারা অবিলম্বে পানি সংকটের সমাধান চেয়েছেন।
    পানির খনি পাওয়ায় ঢাকা ওয়াসা ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সাভারের ভাকুর্তা ও কেরানীগঞ্জে ৪৬টি পাম্প স্থাপন করে। এসব পাম্পের পানি শোধনে দুটি আয়রন অপসারণ প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া একটি ভূ-উপরিস্থ জলাধার, একটি অফিস ভবন এবং ৪২ কিলোমিটার পানি সরবরাহ লাইন স্থাপন করা হয়েছে।
    এবিষয়ে ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান ২৫ টি গ্রামে পানি সংকট থানায় চরম বিপাকে পড়েছেন মানুষজন তিনি অবিলম্বে এলাকায় পানি সংকট সমাধানের জন্য সরকার ও ওয়াসার কতৃপক্ষের কাছে আহবান জানান।
    বৃহত্তর মিরপুরে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের পানি সংকট সমাধানে ২০১২ সালের জুনে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ও ভাকুর্তায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন প্রকল্প হাতে নেয় ঢাকা ওয়াসা। মিরপুর এলাকায় পানির স্তর ৩ মিটার নিচে নেমে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে ওই এলাকায় তীব্র পানি সংকট দেখা দিচ্ছিল।
    পানি রিসার্চ এর মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার ও ওয়াসার প্রতি আহবান জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ও পানি বিশেষজ্ঞ ড.খবির উদ্দিন।
    সিংক ঃ-ড.খবির উদ্দিন পানি বিশেষজ্ঞ জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়।
    এদিকে এবিষয়ে,ঢাকা ওয়াসার তেঁতুলঝোড়া-ভাকুর্তা ওয়েল ফিল্ড প্লান্ট ও ওয়াসার কর্মকর্তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি।
    পে অফ
    সরকার ও ওয়াসা কতৃপক্ষ অবিলম্বে পানি সংকট সমাধান করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ওই সব এলাকার মানুষরা।এ নিয়ে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ ও করেছেন।
    উল্লেখ্য ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধানে ২০০৯ সালে ইন্সটিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) সাভারের তেঁতুলঝোড়া ও ভাকুর্তা এলাকায় বিপুল পানির খনির সন্ধান পায়।
    Show quoted text
    admin1
    admin1
    Javed Mostsfa,working with print and electronic media as a news reporter from 1993. He achieved his ambition to become a journalist. Editor: alorjugnews24.com
    RELATED ARTICLES

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    Most Popular

    Recent Comments