সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
More
    HomeUncategorizedইলিশের ডিম ছাড়ার প্রকৃত সময় কখন? নিষেধাজ্ঞা উঠার পর ধরা পড়ছে পেটে...

    ইলিশের ডিম ছাড়ার প্রকৃত সময় কখন? নিষেধাজ্ঞা উঠার পর ধরা পড়ছে পেটে ডিম ভরা ইলিশ!

    আলোর যুগ ডেক্স
    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারগুলোতে ইলিশের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর সাগর ও নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। কিন্তু যেসব মাছ এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে, তার বেশির ভাগ ইলিশের পেট ডিমে ভরা। এখন ধরা না পড়লে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে বেশির ভাগ ইলিশ ডিম ছাড়তো বলে বিক্রেতারা জানান। তাই বিক্রেতাসহ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ইলিশের ডিম ছাড়ার প্রকৃত সময় কখন?
    সাধারণত প্রতিবছর আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে ও পরে ১৫ দিন সরকারের পক্ষ থেকে ইলিশের ডিম ছাড়ার প্রকৃত সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এ সময় নদীতে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে।

    তবে ইলিশ অধ্যুষিত নদীগুলোতে নির্ধারিত এ সময়ের পরেও প্রচুর ডিমওয়ালা ইলিশ ধরা পড়ে। এজন্য সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ইলিশের ডিম ছাড়ার সময়কে আরও সাত দিন বাড়িয়ে মোট ২২ দিন ডিম ছাড়ার সময় নির্ধারণ করেছে। ইলিশ অধ্যুষিত নদীগুলোয় এই ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু এবার এই সময়ের আগেই ঝাঁকে ঝাঁকে ডিমওয়ালা ইলিশ জালে ধরা পড়ায় ইলিশের ডিম ছাড়ার প্রকৃত সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য মন্ত্রণালয় আশ্বিনের দ্বিতীয় পক্ষ ও কার্তিকের প্রথম পক্ষ এই ২২ দিন দেশের সব নদ-নদীতে ইলিশ মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ইলিশের ডিম ছাড়ার সময় হচ্ছে আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমা। এই সময় ডিম ছাড়ার জন্য পরিণত ইলিশ সাগর থেকে মিঠাপানির নদীতে আসে। এই সময়টিকে নির্বিঘ্ন করতেই সরকার ওই সময় সব ধরনের মাছ শিকারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তবে আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তারিখের হেরফের হয়। এজন্য এ সময় সাত দিন থাকলেও পরে তা ১৪ দিন এবং বর্তমানে তা ২২ দিন করা হয়েছে।

    ইলিশের জন্য আগে মোট পাঁচটি অভয়াশ্রম থাকলেও বর্তমানে বরিশালের আশপাশের ৮২ কিলোমিটার নদীপথকে নিয়ে নতুন অভায়শ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছয়টি অভয়াশ্রম হচ্ছে- চাঁদপুরের ষাটনল থেকে চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনার ১০০ কিলোমিটার, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্ধারমানিক নদীর ৪০ কিলোমিটারভোলার ভেদুরিয়া থেকে চররুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ১০০ কিলোমিটার, শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে ভেদরগঞ্জ পর্যন্ত পদ্মার ২০ কিলোমিটার, চর ইলিশার মদনপুর থেকে ভোলার চরপিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর ৯০ কিলোমিটার এবং বরিশাল সদরের কালাবদর নদীর হবিনগর পয়েন্ট থেকে মেহেন্দীগঞ্জের বামনীরচর পয়েন্ট পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার, মেহেন্দীগঞ্জের গজারিয়া নদীর হাটপয়েন্ট থেকে হিজলা লঞ্চঘাট পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার এবং হিজলার মেঘনার মৌলভীরহাট পয়েন্ট থেকে মেহেন্দীগঞ্জ সংলগ্ন মেঘনার দক্ষিণ-পশ্চিম জাঙ্গালিয়া পয়েন্ট পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার। এছাড়া আড়িয়াল খাঁ, নয়নভাংগুলি ও কীর্তনখোলা নদীর আংশিকও এই অভয়াশ্রমটির অন্তর্ভুক্ত।

    admin1
    admin1
    Javed Mostsfa,working with print and electronic media as a news reporter from 1993. He achieved his ambition to become a journalist. Editor: alorjugnews24.com
    RELATED ARTICLES

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    Most Popular

    Recent Comments