সাভারে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মাদক মামলার চার্জশীট

0
13
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ


আলোর যুগ প্রতিনিধি, সাভার :-
সাভার থানা যুবলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ফরিদ আল রাজীর বিরুদ্ধে মাদক মামলায় চার্জ সীট দিয়েছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। ফরিদ সাভার থানা যুবলীগের পদ ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন নির্বিঘ্নে। কিন্তু থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে যুবলীগ নেতা ফরিদ আল রাজীর নাম থাকায় পুলিশ তার পিছু নিয়ে হেরোইন ও ইয়াবাসহ হাতেনাতে তাকে গ্রেফতার করে।

থানাপুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাভার উপজেলার বনাঁও ইউনিয়নের সাধাপুর পুরানবাড়ী এলাকার মৃত শেখ আব্দুল জলিলের পুত্র সাভার থানা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আল রাজীসহ চার জনকে ২০১৮ সালের ২৭ এপ্রিল হেরোইন ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তারা জামিনে বেরিয়ে আসে। ওই বছরের ২ মে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: ফরহাদুজ্জামান ভূইয়া আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোপত্র দাখিল করেন। অভিযোগ পত্র নং-২৭১।

অভিযোগে পত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, ফরিদ আল রাজীসহ গ্রেফতারকৃতরা প্রকৃতই মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসা তাদের পেশা ও নেশা। তারা দীর্ঘদিন যাবত সংঘবদ্ধ হয়ে কৌশলে হেরোইন ও ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে বিক্রয় করে আসছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর যুবলীগ নেতার বড় ভাই আব্দুল ওহাব ও তার এক সংগীয়কে ১০পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলফিকার আলী সরদার। এ টনায় ওইদিনই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

মাদক মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী হয়েও ফরিদ আল রাজী কিভাবে সাভার থানা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদটি আকড়ে ধরেছেন তা নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

বনঁগাও ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ড সদস্য মান্না হাওলাদার জানান, ফরিদ আল রাজীসহ তার পুরো পরিবারই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সম্প্রতি মাদক ও জঙ্গিবাদ নিয়ে বনগাঁও ইউনিয়নে এক উঠান বৈঠকের আয়োজন করেন সাভার মডেল থানা পুলিশ। সেখানে মাদক নিয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে মাদক ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা ফরিদ আল রাজীকে।

এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ওরফে জিএস মিজান জানান, মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক প্রমাণ হলে তাকে ছাড় দেয়া হবে না।যুবলীগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এবং যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল-এর তত্বাবধানে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য রাজনীতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই যুবলীগে মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজদের কোন স্থান নেই।


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ