ব্যবসার ময়দানে মুখোমুখি গৌতম আদানি ও মুকেশ আম্বানি

0
12

আলোর যুগ প্রতিনিধিঃ ভারতীয় দুই ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানি এখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে খবরের শিরোনাম। সম্প্রতি বিবিসি ও ব্লুমবার্গে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম, প্রতিযোগিতা নিয়ে বিশ্লেষণমূলক খবর প্রকাশ করেছে। আম্বানিকে পেছনে ফেলে শুধু ভারত নয়, এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এখন গৌতম আদানি। মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানি দুজনেই তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে একে অন্যের একচেটিয়া ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যে ভাগ বসানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ব্লুমবার্গ তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, গৌতম আদানি আম্বানিদের একচেটিয়া ব্যবসায়িক খাত টেলিকম সেক্টরে ভাগ বসাতে পারেন। তবে গত ৯ জুলাই আদানি গ্রুপ একটি বিবৃতিতে বলেছে,‌ তাদের এ ধরনের কোনো ইচ্ছা নেই।মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানির নানা ধরনের ব্যবসা আছে। এর মধ্যে এমন কিছু খাত আছে যেখানে দুই কোম্পানিরই জোর উপস্থিতি আছে।এসব খাতের মধ্যে আছে পেট্রোকেমিক্যালস, রিটেইল, ই-কমার্স, আর্থিক সেবা, প্রতিরক্ষা ও অ্যারেস্পেস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সোলার ম্যানুফ্যাকচারিং, ক্রীড়া ও বিনোদন।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আম্বানি ও আদানি; দুই গ্রুপই তাদের ব্যবসার সম্প্রসারণে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ফলে তারা একে অন্যের ব্যবসায়িক পরিসরে প্রবেশ করছেন এবং এমন প্রতিযোগিতা ব্যবসার ময়দানে মুখোমুখি অবস্থায় নিয়ে এসেছে মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানিকে।সম্প্রতি ভারতে ৫জি স্পেকট্রাম নিলামে আম্বানি গ্রুপের রিলায়েন্স জিওর সাথে অনেককে বিস্মিত করে আদানি ডেটা নেটওয়ার্কসও অংশ নেয়। ১১ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে ৫জি স্পেকট্রাম কিনেছে রিলায়েন্স জিও।

নিলামে ২৭ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে আদানি ডেটা নেটওয়ার্ক। অনেকেই ধারণা করছেন, টেলিকম খাতে আসতে চলেছে আদানি গ্রুপ। বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের এই দুই প্রভাবশালী বাণিজ্য গ্রুপ যেমন একে অপরকে সহযোগিতা করবে, সহাবস্থান করবে তেমনি প্রতিযোগিতাও করবে। তাই টেলিকম খাতে আদানি গ্রুপ আসলে তাতে বিস্ময়ের কিছু থাকবে না।আদানি গ্রুপ অবশ্য বলছে, তারা প্রাইভেট নেটওয়ার্ক সলিউশন সৃষ্টি ও বিমানবন্দর ও বন্দরসমূহে সাইবার নিরাপত্তা সমৃদ্ধকরণে তারা ৫জি স্পেকট্রাম ব্যবহার করবে।