বসন্তপুরে কোচিং বানিজ্যের বিরুদ্ধে মাত্র দুই শিক্ষক!

0
38
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি: রাজবাড়ী সদর বসন্তপুর কো-অপারেটিভ হাই স্কুলে সহকারী শিক্ষক এমের মাষ্টার ও অজিত কুমার মিত্র এই দুই জন কিছুতেই মানছে না কোচিং বানিজ্য। সর্বত্রই ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার গজিয়ে উঠেছে। কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কিছু অসাধু শিক্ষক কৌশলে এ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বাণিজ্য মাধ্যমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরেও ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভালো ফলের আসায় প্রাইভেট পড়ার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এর ফলে উপজেলার অধিকাংশ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতিও তুলনামূলকভাবে হ্রাস পেয়েছে। অথচ সরকার সারা দেশে কোচিং বাণিজ্যসহ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরও প্রাইভেট পড়ানো যাবে না বলে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে নিজ প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানের ২০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ানো যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিছু অসাধু শিক্ষক এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গণহারে নিজ বিদ্যালয়ের ৬০-৭০ জন করে শিক্ষার্থী নিয়ে ব্যাচ করে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলার বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে অতিরিক্ত ক্লাসের নামে কোচিং বাণিজ্য শুরু হয়েছে। এমনকি ক্লাস শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শিক্ষার্থীরা বিষয়ভিত্তিক প্রতি মাসে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা দিয়ে কোচিংয়ে পড়তে বাধ্য হচ্ছে।

কোচিং ও প্রাইভেট সেন্টারের শিক্ষার্থীরা জানায়, শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে গুরুত্ব না দিয়ে প্রাইভেটে কিংবা কোচিং সেন্টারে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। বসন্তপুর কো-অপারেটিভ হাই স্কুল ও অভিভাবক আমিনুল ইসলাম ও সামশুর রহমান জানান, শিক্ষকরা ক্লাসের চেয়ে কোচিং সেন্টারে অধিক মনোযোগী হওয়ায় ক্লাসে তেমন লেখাপড়া হয় না। তাই তারা একপ্রকার বাধ্য হয়ে কোচিং সেন্টারের দিকে ঝুঁকে ।


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ