প্রতিটি উপজেলায় কমিউনিটি ভিশন সেন্টার হবে: প্রধানমন্ত্রী

0
10
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ


আলোর যুগ রিপোর্ট: কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের মাধ্যমে সারা দেশের উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ লক্ষ্যে তাঁর সরকার পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় এই সেন্টার স্থাপন করবে।

শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচটি বিভাগের আওতাধীন ২০ জেলার ৭০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত ‘কমিউনিটি ভিশন সেন্টার’-এর কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন। তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার আধুনিকায়নের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মনে করি, বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় এই সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা পর্যায়ক্রমে করে দেব। ইতিমধ্যে আরও ১১০টি ভিশন কমিউনিটি সেন্টার স্থাপনের বিষয়েও চিন্তা করছি এবং সে পদক্ষেপও আমরা নিচ্ছি। এর জন্য মনে হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’

সরকারপ্রধান বলেন, কমিউনিটি ভিশন সেন্টারে কর্মরত দুজন সিনিয়র নার্স উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেজ হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে রোগীর যাবতীয় তথ্য প্রেরণ করেন এবং রোগীর সঙ্গে চক্ষু বিশেষজ্ঞদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে তাঁর সরকার চক্ষুরোগীদের যেমন চোখে ছানি পড়া, গ্লকোমা বা ডায়াবেটিস, রেটিনোপ্যাথি বা শিশুর চোখে আঘাতজনিত চিকিৎসা, পাওয়ার চশমার ব্যবস্থাপনা সরকারিভাবে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ কোটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আধুনিক চক্ষুসেবার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অন্ধজনে আলো দেওয়ার চেয়ে বড় কাজ হতে পারে না। অন্ধত্ব মানুষের জীবনকে অর্থহীন করে তোলে। এই চিকিৎসার ফলে তাঁরা সুস্থ হবেন। দেখতে পাবেন। জীবন হবে অর্থবহ। মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আমরা সেবাটা দিচ্ছি।’

বাংলাদেশকে সুস্থভাবে গড়ে তুলতে হলে সুস্থ মানুষ দরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জন্মান্ধতা দূর করার জন্য প্রসূতি মাকে চিকিৎসা দেওয়া শুরু করেছি। প্রসবের আগে ইনজেকশন দিয়ে দেওয়া হয়। যার কারণে এখন আমরা ভালো রেজাল্ট পাচ্ছি। জন্মান্ধতা কমে গেছে।’


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ