নড়াইলে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত

0
31
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল প্রতিনিধি : একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিরোধকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে নেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহতসহ উভয় পক্ষের মহিলাসহ অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় ৬৭ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের হয়েছে। প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলি ও কোপে আহত দলনেতা আবেদ শেখ বাদি হয়ে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার নড়াগাতি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। গত ৮ এপ্রিল উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, উপজেলার ওই থানার কলাবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেয়াদ উত্তীর্ন পরিচালনা পরিষদের এ্যডহক কমিটির সভাপতি হতে চেয়েছিল কলাবাড়িয়া গ্রামের মৃত জহুর মোল্যার ছেলে আবুল হাসনাত। কিন্তু পরবর্তীতে গ্রামবাসির চাপে একই গ্রামের মৃত অলিয়ার রহমানের ছেলে আবেদ শেখকে করার প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। কিন্তু যশোর শিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কালিয়ার ইউএনও মো. নাজমুল হুদাকে সভাপতি করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। এই নিয়ে আবেদ গ্রুপ ও কাইউম-হাসনাত গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দের সৃষ্ঠিকে কেন্দ্র করে ওই দিন সন্ধ্যা ৬ টার দিকে আবেদ ও তার কয়েকজন সংগীকে কলাবাড়িয়া গ্রামের চরকান্দিপাড়ার সেকোন শেখের বাড়ির পাশে পেয়ে দলনেতা কাইউম শিকদার ও হাসনাতের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের লোকজন গুলি করে ও কুপিয়ে তাদেরকে আহত করে। আহত দলনেতা আবেদ শেখসহ অন্যদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবেদের ভাই আজিবব রহমান কটাইকে মৃত ঘোষনা করেন।

নড়াইলের নড়াগাতী থানার ওসি মো.আলমগীর কবির, নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়কে, বলেন,‘ওই ঘটনায় ৬৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অনেককে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। কেউ আটক হয়নি।


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ