ধামরাইয়ে নদী ভরাট করে ট্রাক চলাচলের রাস্তা নির্মাণ

0
141
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ


শামীম খান (আলোর যুগ প্রতিনিধি) ধামরাই থেকে:-

ঢাকার ধামরাইয়ে ধাইরা এলাকায় ঐতিহ্যবাহী গাজীখালী নদী ভরাট করে মাটির ট্রাক চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করেছে মোশারফ হোসেন নামের স্থানীয় এক নেতা। এর ফলে নদীর পানি স্বাভাবিক চলাচলে বাঁধা প্রাপ্ত হচ্ছে। এতে নদীর পানিতে ভেসে আসা ময়লা আবর্জনা আটকে পড়ে চারপাশে পঁচা দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে বলে নদী পাড়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের অভিযোগ। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব খাটিয়ে তিন ফসলি জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রি করছে ওই নেতা। এব্যাপারে প্রশাসনকে বার বার অবহিত করার পরও কোন প্রতিকার মেলেনি।
ভুক্তভোগিরা জানান,মোশাররফ হোসেন ধাইরা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে এবং নান্নার ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমানে সভাপতি প্রার্থী। যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে মোশাররফ হোসেন মাটি ব্যবসা পাশাপাশি শুধু মাত্র ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রবিহিন তিন ফসলি জমির উপর জেএন ইট ভাটা নামে একটি অবৈধ ইটভাটা স্থাপন করে উৎপাদন চালিয়ে আসছেন।
এলাকাবাসীরা বলেন, ক্ষমতার দাপটে নদী ভরাট করে মাটির ব্যবসা করছে মোশাররফ হোসেন। এতে আমাদের নানা ধরণের সমস্যা হচ্ছে। নদীতে স্বাভাবিক পানি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। যার ফলে নদীর পাড়ে বিভিন্ন প্রকার ময়লা আবর্জনা স্তুপ জমে তা পঁচে অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এমনিতে নদীতে বিভিন্ন কল কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি ও বর্জ্য ফেলে নদী দূষণ করা হচ্ছে। এরপর নদী ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করায় পানি প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এ যেন আমাদের মরার উপর খারার গাঁ।এসব বিয়ষে জানতে চাইলে মোশাররফ হোসে জানান, আমরা রাজনীতি করে অনেক কাঠখড়ি পুড়িয়ে এ পর্যন্ত এসেছি। তাই এখন ব্যবসা করার উপযুক্ত সময়। তাই নদী ভরাট আমরা করুমনা কি অন্যেরা করবে। তিনি আরো বলেন,আমি আওয়ামীলীগ করি। ভালমন্দ আমি বুজমু।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সামিউল হক বলেন, নদী ভরাট করে মাটির ট্রাক চলাচলের রাস্তা নির্মাণের বিষয়টি সরেজমিনে দেখে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন,নদী ভরাট কাউকে করতে দেয়া হবেনা সে যেই হোকনা কেন।


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ