দেশে ‘এলএসডি’ নামক নতুন মাদক জব্দ

0
6
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ


রাজধানীর একটি বাসা থেকে লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড বা এলএসডি মাদক জব্দ করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগ। ঢাকার বেশ কয়েকজন তরুণ গাঁজা পাতার নির্যাস দিয়ে কেক তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করছে। তাদের সবাই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া। তারা ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে মারাত্মক মাদক এলএসডি এবং গাঁজার তৈরি কেক বিক্রি করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর তদন্তে নেমে এলএসডির যোগসূত্র পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, গতকাল বুধবার (২৭ মে) বাংলাদেশে প্রথম আমরা এলএসডি উদ্ধার করেছি। এই ঘটনায় ৩ তরুণকে গ্রেফতার করার পর তাদের কাছ থেকে গাঁজার কেক তৈরি ও বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। তবে এই কেক উদ্ধার করা যায়নি।

ডিবি জানতে পারে, ‘বেটার ব্রাওরি অ্যান্ড বেয়ন্ড’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলে সেখানে গাঁজা পাতার নির্যাস দিয়ে কেক বিক্রি করে মাদক হিসেবে বিক্রি করতো। এই গ্রুপে প্রায় এক হাজার সদস্য।

এদিকে, ডিবির অভিযানে গ্রেফতার তিনজনের কাছ থেকে নতুন মাদক এলএসডির ২০০টি ব্লট উদ্ধার করা হয়। এগুলোর প্রতিটি ব্লটের মূল্য ৩-৪ হাজার টাকা।

গ্রেফতারকৃত তিনজন হচ্ছেন- সাদমান সাকিব ওরফে রুপল, আসহাব ওয়াদুদ ওরফে তুর্য, আদিন আশরাফ। তাদের বয়স ২২-২৫ বছরের মধ্যে। সাদমান সাকিবকে ধানমন্ডি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবি জানায়, সাদমান সাকিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর বহিষ্কৃত ছাত্র। বর্তমানে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ (শেষবর্ষ) পড়াশুনা করছেন। তিনিই মূলত বছরখানেক আগে টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নেদারল্যান্ড থেকে এই মাদক অর্ডার করেন। মাদকের জন্য তারা পে-পালে টাকা পরিশোধ করলে পার্সেলের মাধ্যমে এই মাদক আসে। প্রতিটি ব্লট তারা ৮০০-১০০০ টাকায় কিনেছিলেন।

তবে সাদমান ডিবির কাছে দাবি করে, তাকে ঢাবি থেকে বহিস্কার করা হয়নি। সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হওয়ায় তিনি ঢাবি ছেড়ে দিয়েছিলেন। ‘আপনার আব্বা’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলে সাদমানসহ তাদের তিন বন্ধু সেখান থেকে এলএসডি বিক্রি করতো।


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ