চট্টগ্রামকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে তিনে রংপুর

0
1

আলোর যুগ স্পোর্টসঃ নুরুল হাসান সোহানের রংপুর রাইডার্সের সঙ্গে লড়াইটাও করতে পারলো না শুভাগত হোমের চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ১৮০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৬ ওভার তিন বলে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান তোলে রংপুর। এতে ৫৫ রানের জয় পায় রংপুর। ছয় ম্যাচে এটি রংপুরের তৃতীয় জয়। এতে পয়েন্ট তালিকার তিনে উঠে এলো রংপুর।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে রংপুর। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে শেখ মেহেদিকে হারিয়ে শুরু হয় রংপুরের ইনিংস। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমনও। ৬ রান করে তার ফেরার পর নাঈম শেখকে সঙ্গ দেন শোয়েব মালিক। নবম ওভারে বাজে শট খেলে বিদায় নেন ৩৪ রান করা নাঈম।

নাঈমের বিদায়ের পর ব্যাট করতে নামা ওমরজাইকে নিয়ে এগোতে থাকেন শোয়েব মালিক। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৯ বলে স্পর্শ করেন অর্ধশতক। অপরপ্রান্তে থাকা ওমরজাই ব্যাট চালাতে থাকেন দ্রুতগতিতে। মালিকের সঙ্গে গড়েন ৫৩ বলে ১০৫ রানের জুটি। এরপর অষ্টদশ ওভারে এসে মেহেদি হাসান রানার শিকার হন তিনি। ২৪ বলে ৪ ছক্কা ও এক চারে ৪২ রান করে বিদায় নেন আফগান এই অলরাউন্ডার।

ওমরজাই বিদায় নিলে শেষটা সামলে নেন মালিক। দলকে এনে দেন বড় সংগ্রহ। ৫ ছক্কা ও ৫ চারে ৪৫ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। এর আগে মোহাম্মদ নওয়াজ ৯ ও শামিম হোসাইন ৭ রান করে উইকেট হারান। চট্টগ্রামের হয়ে মেহেদী হাসান রানা নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট নেন শুভাগত হোম এবং ১ উইকেট নেন বিজয়কান্ত।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই সুবিধা করতে পারেনি চট্টগ্রাম। দলীয় ১১ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপর দারউইশ রাসুলি এবং শুভাগত হোম মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। রাসুলি ২১ রান করে বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি। এরপর জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ফের লড়াই চালিয়ে যান শুভাগত। কিন্তু এই জুটিও বেশিদূর যেতে পারেনি।

দলীয় ১০৩ রানে জিয়াউর রহমান ২৪ করে বিদায় নেওয়ার পর ৭ রান যোগ হতেই ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটেন ফিফটি তুলে নেওয়া শুভাগত। চট্টগ্রামের অধিনায়ক ৩১ বলের মোকাবিলায় ৪টি করে চার ও ছক্কায় ৫২ রান করে বিদায় নেন। এরপর আর কেউ দুই অঙ্কের দেখাও পাননি। রংপুরের হয়ে হ্যারিস রউফ নেন তিন উইকেট। দুটি উইকেট নেন রাকিবুল হাসান।