ঈশ্বরদীতে কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

0
23
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি পাবনা জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আজ শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ সুগারক্রপ ইন্সটিটিউটের ইয়াছিন আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান কূল ময়েজ।

বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য সচিব আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক হাসান আলী, কুষক আফজাল আহমেদ বাবুল, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক জাহিদুল ইসলাম গাজর জাহিদ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক হাবিবুর রহমান মাছ হাবিব ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক আব্দুল বারী ওরফে কপি বারী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক বেলী বেগম, ওয়াহিদুজ্জামান রাসেল, রেজাউল করিম রেজা, মেহেদী মাসুম, শরিফুল ইসলাম, সেলিম মাহবুব, আবু বক্কার সিদ্দিক, আকতার হোসেন, ইসতফা উদ্দিন, নাসির উদ্দিন খান, আব্দুল মজিদ, শাহানুর আলম পিন্টু ও আব্দুল হাকিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাতীয় কুষক আব্দুল জলিল লিচু কিতাব।
বক্তারা বলেন, কৃষকেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল উৎপাদন করে থাকেন। কিন্তু সেই ফসল হাট-বাজারে বিক্রি করতে গেলে ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায়না। কৃষকের উৎপাদিত সকল পণ্যেই বর্তমানে লোকশান হচ্ছে। এরপর তা হাট-বাজারে বিক্রি করতে গেলে খাজনার নামে ইজারাদারের লোকেরা কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন শতকরা দশ টাকা। কৃষি পণ্য বিক্রির পর কৃষকের কাছ থেকে খাজনা নেয়া সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ থাকলেও ইজারাদারের লোকেরা বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তাদের ইচ্ছে মতো অধিকমাত্রায় খাজনা আদায় করছেন।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সরকার হচ্ছে কৃষি বান্ধব সরকার, এই সরকারের আমলে কোন কৃষককে সারের জন্য গুলি খেয়ে মরতে হয়নি। কিন্তু সরকার কর্তৃক রাসায়নিক সারের মূল্য নির্ধারনের পরেও ব্যবসায়িরা কৃষকদের কাছ থেকে বস্তা প্রতি দুই থেকে পাঁচশত টাকা বেশি নিচ্ছেন। সরকার কর্তৃক সারের মূল্য নির্ধারন করা থাকলেও তা পাবনা জেলার কোন ডিলার মানছেন না। ভেজাল কীটনাষকে ছেয়ে গেছে পুরো দেশ। চড়া মূল্যে ভেজাল কীটনাষক কিনে তা ব্যবহার করে কৃষক পদে পদে প্রতারিত হচ্ছে। ঈশ্বরদীতে কৃষি বীমা ও কৃষি হিমাগারের জোর দাবি তোলেন।

আলোচনা শেষে মেহেদী মাসুমকে সভাপতি, রেজাউল করিম রেজাকে সাধারন সম্পাদক, আব্দুল মজিদকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও মির্জা শফিকুল ইসলামকে আইন বিষয়ক সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পাবনা জেলা কমিটি গঠন হয়।


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ