আটকে রেখে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ

0
40
শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ

ক্রাইম অনুসন্ধান ডেস্ক: পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ২ কিশোরীকে দুইদিন আটকে রেখে নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মাদারীপুর ডাসার থানার বালিগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বোতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ২ পরিবারকে মামলা না করা ও মীমাংসার নামে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা ও ডাসার থানার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে শুক্রবার গভীর রাতে ৪জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র মতে, ওই ২ কিশোরীকে আটিপাড়া এলাকার মজিবুর হাওলাদারের ছেলে শাকিব, জাকির মোল্লার ছেলে নয়ন, মন্নান খানের ছেলে আল-আমিন, হুমায়ুন হাওলাদারের ছেলে হৃদয় ও তার বন্ধুরা নয়নের চাচা মাহবুব সরদারের নির্জন ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সেখানে তারা ওই ২ কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালায় ও ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ওই কিশোরীদের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যায় শাকিব, নয়ন, রবিউল, হৃদয়, আল-আমিন ও তার বন্ধুরা।

ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, এ ঘটনা মীমাংসা করার কথা বলে ডাসার থানা পুলিশের এসআই দেলায়ার ও বালিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মতিন মোল্লা অভিযুক্তদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে। এছাড়া ২ কিশোরীর পরিবারকে মামলা না করা ও বিষয়টি কাউকে না জানাতে হুমকি দেয়। পরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি জেনে শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থালে গেলে মীমাংসার কথা অস্বীকার করেন ওই এসআই ও আওয়ামী লীগ নেতা মতিন মোল্লা।

সালিশে মীমাংসা করে দেয়ার কথা অস্বীকার করে সাবেক চেয়ারম্যান মতিন মোল্লা বলেন, মেয়ে পক্ষের লোকজন বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে আমার কাছে এসেছিলো। তবে আমি টাকাও নেইনি মীমাংসাও করিনি।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালাদার জানান, এ ঘটনা সালিশযোগ্য নয়। যদি কোনো পুলিশ সদস্যের কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিনঃ